ডেমরায় প্রেমিকের সাথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নিজের স্বামীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা (ভিডিও)

ঢাকা ডেইলি ডেস্ক | অনলাইন সংস্করণ
১:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২০

ডেমরায় প্রেমিকের মাধ্যমে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাতে নিজের স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেছে মোছা. ফাহিমা আক্তার প্রিয়াঙ্কা (১৮) নামে এক গৃহবধূ। বুধবার সন্ধার পরে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউনের নির্জন এলকায় এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্বামী মো. সেলিমের (২৮) বাবা মো. রমজান বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ডেমরা থানায় পুত্রবধূ প্রিয়াঙ্কা ও তার প্রেমিক মো. ফাহাদ হোসেনসহ (১৯) সহযোগী অজ্ঞাত ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় বুধবার রাতে পুলিশের হাতে আটক হওয়া প্রিয়াঙ্কাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতে প্রিয়াঙ্কা স্বামীকে হত্যার চেষ্টার স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দী দিলে আদালত তাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে তার প্রেমিকসহ দুই সহযোগী পলাতক রয়েছে। আর প্রিয়াঙ্কার স্বামী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রিয়াঙ্কা ডেমরার পাইটি পশ্চিম পাড়া এলাকার মো. জয়নাল খানের মেয়ে ও তার প্রেমিক একই এলাকার মো. আক্তার হোসেনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডেমরা থানার এসআই মো. আলমগীর হোসেন বলেন, গত ১ মাস আগে পারিবারিকভাবে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে বিয়ে হয় একই এলাকার ব্যবসায়ী রমজানের ছেলে মো. সেলিমের সঙ্গে। তবে বিয়ের পূর্ব থেকেই প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ফাহাদের সঙ্গে যা বিয়ের পরও অব্যাহত ছিল।

 

 

 

এসআই মো. আলমগীর আরও বলেন, বিয়ের পরও প্রিয়াঙ্কা ফাহাদের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত থেকে স্বামী সেলিমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার বিকালে পাইটি এলাকা থেকে আমুলিয়া মডেল টাউনে স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে আসে প্রিয়াঙ্কা। সন্ধার পরে প্রিয়াঙ্কা বাড়ী ফেরার কথা বলে সেলিমকে নির্জন পথে নিয়ে আসে। এ সময় হঠাৎ প্রিয়াঙ্কা তার স্বামীকে পেছন থেকে ঝাপটে ধরে। এদিকে পূর্বেই ওঁৎ পেতে থাকা ফাহাদ হত্যার উদ্দেশ্যে সেলিমের গলা ও পেটের বামপাশে ধারালো ছুড়ি দিয়ে ছুরকাঘাত করে। এ সময় তার সহযোগীরা সেলিমের বুকে ও পায়ে এলোপথারীভাবে ছুরি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনায় কোন মতে দৌড়ে আমুলিয়া মডেল টাউনের একটি দোকানে গিয়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে ঘটনা খুলে বলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সেলিম। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের লোকজন সেলিমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মন্তব্য লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here