গরুর গোশতের ঝাল ভুনা

গরুর গোশত অন্যান্য পশুর গোশত থেকে বেশি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর। গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায় যার শারীরিক গঠন ও বৃদ্ধিতে ভূমিকা রয়েছে। গরুর মাংস থেকে প্রথম শ্রেণির উন্নতমানের প্রোটিন পাওয়া যায়। সুস্থ মাংসপেশি গঠনে যা বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া গরুর মাংসে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড থাকে, যা ত্বকের জন্য অনেক জরুরি।

এতে রয়েছে জিংক, আয়রন, ফসফরাসে ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনসমূহ। যা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারী।

ভাত, পোলাও, রুটি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করতে রন্ধনশিল্পী ডা. ফারহানা ইফতেখারের রেসিপিতে তৈরি করুন এই পদ।

উপকরণ: ১ কেজি গরুর মাংস হাড়সহ। পেঁয়াজ-কুচি আধা কাপ। পেঁয়াজ-বাটা ১ টেবিল-চামচ। রসুন ও আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ করে। হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ করে। টমেটো কুচি ১টি। টমেটো কেচাপ ১ চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। ধনে-গুঁড়া ১ চা-চামচ। ৫,৬টি শুকনা মরিচ। কাঁচামরিচ ৮-১০টি। ৪,৫টি এলাচ। ২টি তেজপাতা। ২ টুকরা দারুচিনি। ৫,৬টি লবঙ্গ। তেল পরিমাণ মতো। টালা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ।

পদ্ধতি: মাংস ছোট করে কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

একটি প্যানে তেল গরম করে এতে শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ, তেজপাতা এবং গরম মসলা দিয়ে অল্পক্ষণ ভেজে নিয়ে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বাটা, ধনে-হলুদ-মরিচ গুঁড়া, টমেটো কুচি ও কেচাপ এবং লবণ দিয়ে মসলা কষে নিন।

মসলা ভালো করে কষে এলে গরুর মাংস দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে দিন এবং কষাতে থাকুন। মাংস কষিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি দিন।

মাংস সিদ্ধ হয়ে মাখামাখা হয়ে আসলে কাঁচামরিচ ফালি, টালা জিরা গুঁড়া ও ১ টেবিল-চামচ সরিষার তেল দিয়ে মাংস চুলার উপরে রেখে দিন আরও কিছুক্ষণ।

১০ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

মন্তব্যর উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন