ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কমিউটার ট্রেনের টিকিট পেতেও ভোগান্তি

আন্তঃনগর ট্রেনে ঈদযাত্রায় শতভাগ অনলাইন মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হলেও ব্যতিক্রম কমিউটার ট্রেনের ক্ষেত্রে। এখনো কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি করা হয় কমিউটার ট্রেনের। নেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিও।

দিনের যাত্রার শুরুর দুই ঘণ্টা আগেই দেওয়া হয় টিকিট। তবে এ টিকিট কিনতে ভোর থেকেই শত শত যাত্রী দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে কথা হয় রাশিদুল হাসানের সঙ্গে। তিনি মোহনগঞ্জে যাবেন পরিবার নিয়ে। সেহরির পরপরই সদরঘাট থেকে স্টেশনে এসেছেন টিকিটের জন্য। তার ট্রেন ছাড়ার কথা ৮টা ১৫ মিনিটে।

রাশিদুল জানান, আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা চারজন। আমরা চারটি টিকিট কিনলে দুই আসন পাবো, বাকি দুইটা স্ট্যান্ডিং টিকিট হবে। তবে দেরি করলে সবগুলোই স্ট্যান্ডিং টিকিট হবে। এ কারণে ভোর থেকেই চলে এসেছি। বাড়িতে যেহেতু যেতে হবে তাই আগেভাগেই স্টেশনে আশা।

অপর ট্রেন কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের যাত্রী আলী আব্বাস বলেন, সড়কে যানজট হয়, ভাড়াও বেশি। এ কারণে প্রতিবারই ট্রেনে বাড়ি ফিরে থাকি। টিকিটের জন্য তিন ঘণ্টা আগে থেকেই এসেছি। তাছাড়া বাসায় ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিলে ট্রেন মিস করবো। যেহেতু অগ্রিম টিকিট নাই তাই আগেভাগেই চলে আসা।

স্টেশন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এদিন ভোর ৬টায় ধূমকেতু এক্সেপ্রেসের মাধ্যমে ট্রেনযাত্রা শুরু হবার কথা ছিল। তবে রাজশাহী অভিমুখে কমলাপুর স্টেশন ছাড়ে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। আরও কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে ছাড়তে দেরিতে স্টেশনে আসার কারণে।

ট্রেন দেরিতে ছাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন ধূমকেতু ট্রেনের যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের বিড়ম্বনা ছিল বেশি। এক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, দিনের শুরুতেই যদি এভাবে দেরিতে স্টেশন ছাড়ে তবে বাকিটা সময় কি হবে? স্টেশনের ভেতরে ভালো টয়লেট নেই, বিশ্রামও হয় না। এ অবস্থায় সিডিউল বিলম্ব হলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আশা করবো যাত্রীদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে যথাসময়ে ছাড়বে ট্রেন।

কমলাপুরে রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত এক কর্মকর্তা বলেন, ধূমকেতু ঢাকায় প্রবেশ করেছে দেরিতে। এরপর সেটাকে ক্লিনসহ আনুষাঙ্গিক কাজ করা হয়। এতে কিছুটা বিলম্বে ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে স্টেশন ছেড়েছে। বাকি ট্রেনগুলো সঠিক সময়ে ছাড়ছে।

কমিউটার ট্রেনের টিকিট পেতেও ভোগান্তি

আপডেট সময় : ১১:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

আন্তঃনগর ট্রেনে ঈদযাত্রায় শতভাগ অনলাইন মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হলেও ব্যতিক্রম কমিউটার ট্রেনের ক্ষেত্রে। এখনো কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি করা হয় কমিউটার ট্রেনের। নেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিও।

দিনের যাত্রার শুরুর দুই ঘণ্টা আগেই দেওয়া হয় টিকিট। তবে এ টিকিট কিনতে ভোর থেকেই শত শত যাত্রী দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে কথা হয় রাশিদুল হাসানের সঙ্গে। তিনি মোহনগঞ্জে যাবেন পরিবার নিয়ে। সেহরির পরপরই সদরঘাট থেকে স্টেশনে এসেছেন টিকিটের জন্য। তার ট্রেন ছাড়ার কথা ৮টা ১৫ মিনিটে।

রাশিদুল জানান, আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা চারজন। আমরা চারটি টিকিট কিনলে দুই আসন পাবো, বাকি দুইটা স্ট্যান্ডিং টিকিট হবে। তবে দেরি করলে সবগুলোই স্ট্যান্ডিং টিকিট হবে। এ কারণে ভোর থেকেই চলে এসেছি। বাড়িতে যেহেতু যেতে হবে তাই আগেভাগেই স্টেশনে আশা।

অপর ট্রেন কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের যাত্রী আলী আব্বাস বলেন, সড়কে যানজট হয়, ভাড়াও বেশি। এ কারণে প্রতিবারই ট্রেনে বাড়ি ফিরে থাকি। টিকিটের জন্য তিন ঘণ্টা আগে থেকেই এসেছি। তাছাড়া বাসায় ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিলে ট্রেন মিস করবো। যেহেতু অগ্রিম টিকিট নাই তাই আগেভাগেই চলে আসা।

স্টেশন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এদিন ভোর ৬টায় ধূমকেতু এক্সেপ্রেসের মাধ্যমে ট্রেনযাত্রা শুরু হবার কথা ছিল। তবে রাজশাহী অভিমুখে কমলাপুর স্টেশন ছাড়ে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। আরও কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে ছাড়তে দেরিতে স্টেশনে আসার কারণে।

ট্রেন দেরিতে ছাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন ধূমকেতু ট্রেনের যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের বিড়ম্বনা ছিল বেশি। এক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, দিনের শুরুতেই যদি এভাবে দেরিতে স্টেশন ছাড়ে তবে বাকিটা সময় কি হবে? স্টেশনের ভেতরে ভালো টয়লেট নেই, বিশ্রামও হয় না। এ অবস্থায় সিডিউল বিলম্ব হলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আশা করবো যাত্রীদের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে যথাসময়ে ছাড়বে ট্রেন।

কমলাপুরে রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত এক কর্মকর্তা বলেন, ধূমকেতু ঢাকায় প্রবেশ করেছে দেরিতে। এরপর সেটাকে ক্লিনসহ আনুষাঙ্গিক কাজ করা হয়। এতে কিছুটা বিলম্বে ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে স্টেশন ছেড়েছে। বাকি ট্রেনগুলো সঠিক সময়ে ছাড়ছে।