ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শোলাকিয়ায় ৬ লাখ মানুষের নামাজ আদায়

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে নামাজ শুরুর প্রস্তুতি নিতে সংকেত দেওয়া হয়।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদ জামাতে লাখো মানুষ নামাজ আদায় করেছেন। এটি ছিল এ ময়দানে ১৯৭ তম ঈদ জামাত।

চার স্তরের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ ঈদ জামাত পরিচালনা করেন স্থানীয় বড় বাজার মসজিদের ইমাম শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ।

জামাত শুরুর এক ঘণ্টা আগেই পরিপূর্ণ হয়ে যায় বিশাল ঈদগাহ ময়দান।

নামাজ শেষে শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “স্মরণকালের বৃহত্তম এবারের ঈদ জামাতে আনুমানিক ৬ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করেছেন।”

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে নামাজ শুরুর প্রস্তুতি নিতে সংকেত দেওয়া হয়। জামাত ও খুতবা শেষে বাংলাদেশসহ সব মুসলিম সম্প্রদায়ের কল্যাণ কামনা করে দোয়া- মোনাজাত করা হয়।

ঈদ জামাতে দূর-দূরান্তের মানুষের যাতায়াতের জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে রেল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি ট্রেন ছেড়ে আসে ময়মনসিংহ থেকে ও অপরটি আসে ভৈরব থেকে।

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টুপি, মাস্ক ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু বহন এবং শহরে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। জামাতে অংশ নেওয়া লোকজনের সহায়তার জন্য মাঠে বিপুল স্বেচ্ছাসেবক এবং কয়েকটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করে।

২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে এবার চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নামাজের সময় পাঁচ প্লটুন বিজিবি, বিপুল পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।

শোলাকিয়ায় ৬ লাখ মানুষের নামাজ আদায়

আপডেট সময় : ০২:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে নামাজ শুরুর প্রস্তুতি নিতে সংকেত দেওয়া হয়।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদ জামাতে লাখো মানুষ নামাজ আদায় করেছেন। এটি ছিল এ ময়দানে ১৯৭ তম ঈদ জামাত।

চার স্তরের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ ঈদ জামাত পরিচালনা করেন স্থানীয় বড় বাজার মসজিদের ইমাম শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ।

জামাত শুরুর এক ঘণ্টা আগেই পরিপূর্ণ হয়ে যায় বিশাল ঈদগাহ ময়দান।

নামাজ শেষে শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “স্মরণকালের বৃহত্তম এবারের ঈদ জামাতে আনুমানিক ৬ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করেছেন।”

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে নামাজ শুরুর প্রস্তুতি নিতে সংকেত দেওয়া হয়। জামাত ও খুতবা শেষে বাংলাদেশসহ সব মুসলিম সম্প্রদায়ের কল্যাণ কামনা করে দোয়া- মোনাজাত করা হয়।

ঈদ জামাতে দূর-দূরান্তের মানুষের যাতায়াতের জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে রেল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি ট্রেন ছেড়ে আসে ময়মনসিংহ থেকে ও অপরটি আসে ভৈরব থেকে।

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টুপি, মাস্ক ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু বহন এবং শহরে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। জামাতে অংশ নেওয়া লোকজনের সহায়তার জন্য মাঠে বিপুল স্বেচ্ছাসেবক এবং কয়েকটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করে।

২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে এবার চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নামাজের সময় পাঁচ প্লটুন বিজিবি, বিপুল পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।