ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘এটা অনেক বড় অভিশাপ’

মনিটর এর দাম জানতে এখন-ই ক্লিক করুন

সুন্দরী হওয়া আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ? বেশিরভাগ মানুষই স্রষ্টার দেয়া সৌন্দর্য পাওয়াকে আশীর্বাদ ধরে নেন। তবে বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার কাছে এ সৌন্দর্যই অনেক বড় অভিশাপ। কিন্তু কেন জানেন কী?
রূপের সাথে গুণ আর অসাধারণ অভিনয় কিংবা নৃত্যশৈলী দিয়েও বলিউডের সিনেমায় নিজের মনের মতো চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পাননি দিয়া। এ মন্দ কপালের জন্য দিয়া নিজের রূপকেই দায়ী করেন।

দিয়া বলেন, আমি গতানুগতিক ধারার অভিনয় করতে কখনও চাইনি। একটু চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সব সময়ই সিনেমার পরিচালকরা আমাকে বলেছেন, তোমার সৌন্দর্য কখনই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের জন্য মানানসই নয়।

শুধু সিনেমা জগতেই নয়, সুন্দর হওয়ার কারণে অনেক চাকরি থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিল দিয়াকে। দিয়ার ভাষায়, ‘সুন্দর চেহারা অনেক সময় সর্বনাশ ডেকে আনে। বিপদের কারণও হয়ে ওঠে। তাই সব সময় সাবধান থাকতে হয়েছে আমাকে।’

দিয়া আরও বলেন, ‘‘সৌন্দর্যই আমার কাছে ট্র্যাজেডি। যদিও এই সৌন্দর্য দিয়েই ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া এশিয়া প্যাসিফিক’ এবং ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল’-র মতো বড় খেতাব জিতেছিলাম।’’

বর্তমানে অভিনয় থেকে বেশ দূরেই রয়েছেন দিয়া। দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী বৈভব রেখি আর ছোট্ট ছেলেসন্তানকে নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ খ্যাত এ অভিনেত্রী।

সকল প্রকার কম্পিউটার পূন্যের দাম জানতে এখন-ই ক্লিক করুন

‘এটা অনেক বড় অভিশাপ’

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪

সুন্দরী হওয়া আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ? বেশিরভাগ মানুষই স্রষ্টার দেয়া সৌন্দর্য পাওয়াকে আশীর্বাদ ধরে নেন। তবে বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার কাছে এ সৌন্দর্যই অনেক বড় অভিশাপ। কিন্তু কেন জানেন কী?
রূপের সাথে গুণ আর অসাধারণ অভিনয় কিংবা নৃত্যশৈলী দিয়েও বলিউডের সিনেমায় নিজের মনের মতো চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পাননি দিয়া। এ মন্দ কপালের জন্য দিয়া নিজের রূপকেই দায়ী করেন।

দিয়া বলেন, আমি গতানুগতিক ধারার অভিনয় করতে কখনও চাইনি। একটু চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সব সময়ই সিনেমার পরিচালকরা আমাকে বলেছেন, তোমার সৌন্দর্য কখনই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের জন্য মানানসই নয়।

শুধু সিনেমা জগতেই নয়, সুন্দর হওয়ার কারণে অনেক চাকরি থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিল দিয়াকে। দিয়ার ভাষায়, ‘সুন্দর চেহারা অনেক সময় সর্বনাশ ডেকে আনে। বিপদের কারণও হয়ে ওঠে। তাই সব সময় সাবধান থাকতে হয়েছে আমাকে।’

দিয়া আরও বলেন, ‘‘সৌন্দর্যই আমার কাছে ট্র্যাজেডি। যদিও এই সৌন্দর্য দিয়েই ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া এশিয়া প্যাসিফিক’ এবং ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল’-র মতো বড় খেতাব জিতেছিলাম।’’

বর্তমানে অভিনয় থেকে বেশ দূরেই রয়েছেন দিয়া। দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী বৈভব রেখি আর ছোট্ট ছেলেসন্তানকে নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ খ্যাত এ অভিনেত্রী।