ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:

নারায়ণগঞ্জে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৮

মনিটর এর দাম জানতে এখন-ই ক্লিক করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়ার নাওড়া গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

গুলিবিদ্ধরা হলেন আকবর (২৪), তাজেল (৩৬), জয়নাল (৩৫), শামীম (২৫), মুক্তার হোসেন (৬০), নুর হোসেন (২৪), আরিফ (৯) ও রোমান (২০)। তারা সবাই মোশারফ হোসেনের অনুসারী বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, কায়েতপাড়ায় রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমানের সঙ্গে সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনের পূর্বশত্রুতা ছিল। বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির পক্ষে জমি বেচাকেনার ব্যবসা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রোববার রাতে বাড়ি ফেরার পথে রফিকুল ইসলামের অনুসারী নাওড়ার বাসিন্দা নাজমুল নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেন মোশারফের অনুসারীরা।

মোশারফ হোসেনের ছেলে নীরব হোসেন বলেন, রফিক ও মিজানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাদের গুলিতে আমাদের আটজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

তবে মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। লোকমুখে শুনেছি, নাজমুল নামে গ্রামের একটা নিরীহ ছেলেকে গত রাতে মারধর করে টাকা-পয়সা রেখে দেয় মোশারফ ও তার লোকজন। এতে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সকালে গ্রামবাসীর ওপর আবারও মোশারফের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে শুনেছি। হামলায় গ্রামবাসীর মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

সকল প্রকার কম্পিউটার পূন্যের দাম জানতে এখন-ই ক্লিক করুন

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটি পৃষ্ঠা ‘ল্যান্ডস্কেপ’ করবেন যেভাবে

নারায়ণগঞ্জে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৮

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়ার নাওড়া গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

গুলিবিদ্ধরা হলেন আকবর (২৪), তাজেল (৩৬), জয়নাল (৩৫), শামীম (২৫), মুক্তার হোসেন (৬০), নুর হোসেন (২৪), আরিফ (৯) ও রোমান (২০)। তারা সবাই মোশারফ হোসেনের অনুসারী বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, কায়েতপাড়ায় রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমানের সঙ্গে সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেনের পূর্বশত্রুতা ছিল। বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির পক্ষে জমি বেচাকেনার ব্যবসা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রোববার রাতে বাড়ি ফেরার পথে রফিকুল ইসলামের অনুসারী নাওড়ার বাসিন্দা নাজমুল নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেন মোশারফের অনুসারীরা।

মোশারফ হোসেনের ছেলে নীরব হোসেন বলেন, রফিক ও মিজানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাদের গুলিতে আমাদের আটজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

তবে মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি ঢাকায় অবস্থান করছি। লোকমুখে শুনেছি, নাজমুল নামে গ্রামের একটা নিরীহ ছেলেকে গত রাতে মারধর করে টাকা-পয়সা রেখে দেয় মোশারফ ও তার লোকজন। এতে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সকালে গ্রামবাসীর ওপর আবারও মোশারফের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে শুনেছি। হামলায় গ্রামবাসীর মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’