ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দলবদ্ধ ধর্ষণে কিশোরী গর্ভবতী!


এর আগে সোমবার (৬ মে) রাতে থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের এক কিশোরীর সঙ্গে প্রতিবেশী জুনায়েত শেখের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর সূত্র ধরে জুনায়েত শেখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ওই কিশোরীর বাবা-মা বাড়ি না থাকার সুবাদে ওই রাতে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে পরমেশ্বরদী গ্রামের মনমত মণ্ডলের মেহেগনি বাগানের ভিতরে প্রেমিক জুনায়েত শেখ (১৬), তার বন্ধু জুবায়ের ফকির (১৫) ও তরিকুল ফকির (১৬) মিলে ধর্ষণ করে।

সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারিরীক পরিবর্তন দেখা দেয়। চলতি বছরে গত ২৯ এপ্রিল কিশোরীর মা শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে কিশোরী গর্ভবতী হওয়ার পুরো বিষয়টি তার বাবা-মাকে খুলে বলে। ঘটনা শুনে কিশোরীর বাবা গ্রামের মাতব্বর হারুন শেখের কাছে বিচার চেয়ে নালিশ দেন। হারুন শেখ (৪৮) কোন বিচারের ব্যবস্থা না করে উল্টো মারধর করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করে।

বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানতে পেরে রোববার (৫ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের তিনজনকে আটক করে।

সোমবার (৬ মে) বিকেলে ওই কিশোরী ও তার বাবা-মাকে খবর দিলে থানায় এসে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে পরমেশ্বরদী গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে জুনায়েত শেখ (১৬), বিল্লাল ফকিরের ছেলে জুবায়ের ফকির (১৫), আলফাডাঙ্গা উপজেলার ভেন্নাতলা গ্রামের তৈয়েবের ছেলে তরিকুল ফকির (১৬) ও পরমেশ্বদী গ্রামের সেকেন শেখের ছেলে হারুন শেখকে (৪৮) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নম্বর ১৪। মামলার পর ৪ নম্বর আসামি হারুন শেখকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার (৭ মে) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।

দলবদ্ধ ধর্ষণে কিশোরী গর্ভবতী!

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪

এর আগে সোমবার (৬ মে) রাতে থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের এক কিশোরীর সঙ্গে প্রতিবেশী জুনায়েত শেখের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর সূত্র ধরে জুনায়েত শেখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ওই কিশোরীর বাবা-মা বাড়ি না থাকার সুবাদে ওই রাতে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে পরমেশ্বরদী গ্রামের মনমত মণ্ডলের মেহেগনি বাগানের ভিতরে প্রেমিক জুনায়েত শেখ (১৬), তার বন্ধু জুবায়ের ফকির (১৫) ও তরিকুল ফকির (১৬) মিলে ধর্ষণ করে।

সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারিরীক পরিবর্তন দেখা দেয়। চলতি বছরে গত ২৯ এপ্রিল কিশোরীর মা শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে কিশোরী গর্ভবতী হওয়ার পুরো বিষয়টি তার বাবা-মাকে খুলে বলে। ঘটনা শুনে কিশোরীর বাবা গ্রামের মাতব্বর হারুন শেখের কাছে বিচার চেয়ে নালিশ দেন। হারুন শেখ (৪৮) কোন বিচারের ব্যবস্থা না করে উল্টো মারধর করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করে।

বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানতে পেরে রোববার (৫ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গ্রামের তিনজনকে আটক করে।

সোমবার (৬ মে) বিকেলে ওই কিশোরী ও তার বাবা-মাকে খবর দিলে থানায় এসে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে পরমেশ্বরদী গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে জুনায়েত শেখ (১৬), বিল্লাল ফকিরের ছেলে জুবায়ের ফকির (১৫), আলফাডাঙ্গা উপজেলার ভেন্নাতলা গ্রামের তৈয়েবের ছেলে তরিকুল ফকির (১৬) ও পরমেশ্বদী গ্রামের সেকেন শেখের ছেলে হারুন শেখকে (৪৮) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নম্বর ১৪। মামলার পর ৪ নম্বর আসামি হারুন শেখকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার (৭ মে) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।