ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে চলছে চুনা ফ্যাক্টরী

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে চলছে একে একে ১৭টি চুনাভাট্টি। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নবায়ন বন্ধ রাখা হলেও বিধি-নিষেধের কিছুই তোয়াক্কা করছে না এসব ভাট্টির মালিকরা। আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় দিন-রাত চালানো হচ্ছে অবৈধ এই কারখানাগুলো। চুনাভাট্টির বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্য-নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও আক্রান্ত হচ্ছেন ভয়াবহ ব্যাধিতে।
এদিকে, প্রায় তিন বছর ধরে লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ রাখলেও সচল রাখা হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার চুনাভাট্টিগুলো এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে।
নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, চুনাভাট্টির মালিকরা অভিযান ঠেকাতে হাইকোর্টে রীট করে তা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছেন। অভিযানে যাওয়া তো দূরের কথা- এখন মামলা মোকাবেলা করতে হচ্ছে দপ্তরটির কর্মকর্তাদের।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। কারণ এ থানা এলাকায় আদমজী ইপিজেডসহ অসংখ্য মিল ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। এসব কল-কারখানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শ্রমজীবী মানুষের বাসস্থান হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকাটি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধীনে রয়েছে ১০ টি ওয়ার্ড।
পরিবেশ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য বলছে, সিদ্ধিরগঞ্জের ১০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭টি চুনাভাট্টি রয়েছে। যার একটিরও লাইসেন্স নবায়ন নেই। কেননা, ঘণবসতিপূর্ন এই এলাকায় পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি আমলে নিয়ে গত তিন বছর ধরে লাইসেন্স নবায়ন কিংবা অনুমোদন দেয়া সম্পূর্নভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এরপরও কোন উপায়ে চলছে এই চুনাভাট্টিগুলো এমন প্রশ্নের উত্তরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ মোজাহীদ বলেন, ‘আবাসিক এলাকায় চুনাভাট্টি পরিচালনা করা যাবে না, তাই আমরা এগুলো বন্ধ করা এবং অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রথমে তাদের ছয় মাসের সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। এই সময়ের মধ্যে ১৭টি চুনাভাট্টি থেকে মাত্র ৩টি সোনারগাঁ-বন্দরে স্থানান্তর হয়েছে। বাকি ১৪টি চুনাভাট্টি এখানেই রয়ে গেছে। তিন বছর ধরে এগুলোর লাইসেন্স নবায়ন করা বন্ধ রেখেছি। বর্তমানে একটিরও লাইসেন্স নবায়ন নেই। সেই অর্থে এগুলো অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আমি অভিযানে গিয়েছিলাম, কিন্তু প্রায় ৮টি কারখানার মালিক কৌশল করে উচ্ছেদ ঠেকাতে উচ্চ আদালতে রিট করে রেখেছে। আমরা সেই রিটের বিরুদ্ধে আদালতে লড়ছি। রিট নিষ্পত্তি না হওয়ায় ওই আটটিতে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। বাকিগুলোতে নোটিশ করা আছে। যেকোনো সময়ে আমরা অভিযানে যাবো।’
অভিযোগ রয়েছে, চুনাভাট্টির ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা স্থানীয় পর্যায়ে বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত, স্থানীয় সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলরদেরও চুনাভাট্টির ব্যবসা রয়েছে। কেউ আবার প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের আশির্বাদপুষ্ট হয়ে আছেন। তাই প্রকাশ্যে পরিবেশ দূষণ করে গেলেও তাদের বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলও প্রতিবাদের সাহস করেন না।
একটি সূত্রে জানা গেছে, গ্যাসের কারণে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে স্থানান্তর হতে নারাজ চুনাভাট্টির মালিকরা। সিদ্ধিরগঞ্জে তারা একদিকে যেমন বৈধ গ্যাসের সংযোগ পেয়েছেন, অন্যদিকে কারখানাগুলোতে রয়েছে অবৈধ সংযোগও। চুনাভাট্টি পরিচালনায় গ্যাসের চাহিদা এবং গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে অন্যত্র সরছেন না তারা।
এদিকে, অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়া এই চুনাভাট্টিগুলোর মালিকরা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেকেই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক চুনা খোরশেদের গোমর ফাঁস হলে আলোচনা শুরু হয়। তিনি স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে শতকোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার মালিকানা চুনাভাট্টিও অবৈধ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
তথ্য মতে, নাসিক ১নং ওয়ার্ডের মিজমিজি সিআই খোলা এলাকায় জাজিরা লাইমসের মালিক বর্তমান কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম, হিরাঝিল এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর ওমর ফারুক তার কার্যালয় সংলগ্ন মদিনা লাইমস নামের চুনাভাট্টির মালিক, তার পাশে রনি লাইমস নামের চুনাভাট্টির মালিক চান মিয়া, সুরমা লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের ফয়সাল লাইমসের মালিক বাবুল মিয়া, ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক খোরশেদ মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ পুলের পাশে লাইমসের মালিক আবু তালেব, আটি গ্রাম এলাকায় আরাফাত লাইমেসের মালিক হযরত আলী, আশরাফ আলী লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই, ওয়াপদাকলোনী এলাকার খাজা লাইমসের মালিক সোহেল মিয়া, হারুন লাইমসের মালিক সাদেক মিয়া আর রহমান লাইমসের মালিক শহীদ হোসেন বিটু।
মিজমিজি এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা বহুবছর ধরে এ এলাকায় বসবাস করি। যতদিন ধরে আছি এখানকার চুনাভাট্টির দূষিত ধোঁয়ার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ক্ষতি হয় এ ধোঁয়ার কারণে। চুনাভাট্টির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। তার উপর তিনি ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।’
সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকার এক চা বিক্রেতা বলেন, ‘আমি এখানে চা বিক্রি করি অনেক বছর ধরে। এখানকার আবু তালেব সাহেবের চুনার কারখানার কারণে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হই। আমাগো এলাকার কেউ শান্তিতে নাই।’
জাজিরা লাইমসের মালিক ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে চলছে চুনা ফ্যাক্টরী

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে চলছে একে একে ১৭টি চুনাভাট্টি। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নবায়ন বন্ধ রাখা হলেও বিধি-নিষেধের কিছুই তোয়াক্কা করছে না এসব ভাট্টির মালিকরা। আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় দিন-রাত চালানো হচ্ছে অবৈধ এই কারখানাগুলো। চুনাভাট্টির বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্য-নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও আক্রান্ত হচ্ছেন ভয়াবহ ব্যাধিতে।
এদিকে, প্রায় তিন বছর ধরে লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ রাখলেও সচল রাখা হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার চুনাভাট্টিগুলো এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে।
নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, চুনাভাট্টির মালিকরা অভিযান ঠেকাতে হাইকোর্টে রীট করে তা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছেন। অভিযানে যাওয়া তো দূরের কথা- এখন মামলা মোকাবেলা করতে হচ্ছে দপ্তরটির কর্মকর্তাদের।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। কারণ এ থানা এলাকায় আদমজী ইপিজেডসহ অসংখ্য মিল ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। এসব কল-কারখানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শ্রমজীবী মানুষের বাসস্থান হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকাটি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধীনে রয়েছে ১০ টি ওয়ার্ড।
পরিবেশ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য বলছে, সিদ্ধিরগঞ্জের ১০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭টি চুনাভাট্টি রয়েছে। যার একটিরও লাইসেন্স নবায়ন নেই। কেননা, ঘণবসতিপূর্ন এই এলাকায় পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি আমলে নিয়ে গত তিন বছর ধরে লাইসেন্স নবায়ন কিংবা অনুমোদন দেয়া সম্পূর্নভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এরপরও কোন উপায়ে চলছে এই চুনাভাট্টিগুলো এমন প্রশ্নের উত্তরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ মোজাহীদ বলেন, ‘আবাসিক এলাকায় চুনাভাট্টি পরিচালনা করা যাবে না, তাই আমরা এগুলো বন্ধ করা এবং অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রথমে তাদের ছয় মাসের সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। এই সময়ের মধ্যে ১৭টি চুনাভাট্টি থেকে মাত্র ৩টি সোনারগাঁ-বন্দরে স্থানান্তর হয়েছে। বাকি ১৪টি চুনাভাট্টি এখানেই রয়ে গেছে। তিন বছর ধরে এগুলোর লাইসেন্স নবায়ন করা বন্ধ রেখেছি। বর্তমানে একটিরও লাইসেন্স নবায়ন নেই। সেই অর্থে এগুলো অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আমি অভিযানে গিয়েছিলাম, কিন্তু প্রায় ৮টি কারখানার মালিক কৌশল করে উচ্ছেদ ঠেকাতে উচ্চ আদালতে রিট করে রেখেছে। আমরা সেই রিটের বিরুদ্ধে আদালতে লড়ছি। রিট নিষ্পত্তি না হওয়ায় ওই আটটিতে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। বাকিগুলোতে নোটিশ করা আছে। যেকোনো সময়ে আমরা অভিযানে যাবো।’
অভিযোগ রয়েছে, চুনাভাট্টির ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা স্থানীয় পর্যায়ে বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত, স্থানীয় সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলরদেরও চুনাভাট্টির ব্যবসা রয়েছে। কেউ আবার প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের আশির্বাদপুষ্ট হয়ে আছেন। তাই প্রকাশ্যে পরিবেশ দূষণ করে গেলেও তাদের বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলও প্রতিবাদের সাহস করেন না।
একটি সূত্রে জানা গেছে, গ্যাসের কারণে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে স্থানান্তর হতে নারাজ চুনাভাট্টির মালিকরা। সিদ্ধিরগঞ্জে তারা একদিকে যেমন বৈধ গ্যাসের সংযোগ পেয়েছেন, অন্যদিকে কারখানাগুলোতে রয়েছে অবৈধ সংযোগও। চুনাভাট্টি পরিচালনায় গ্যাসের চাহিদা এবং গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে অন্যত্র সরছেন না তারা।
এদিকে, অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়া এই চুনাভাট্টিগুলোর মালিকরা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেকেই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক চুনা খোরশেদের গোমর ফাঁস হলে আলোচনা শুরু হয়। তিনি স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে শতকোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার মালিকানা চুনাভাট্টিও অবৈধ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
তথ্য মতে, নাসিক ১নং ওয়ার্ডের মিজমিজি সিআই খোলা এলাকায় জাজিরা লাইমসের মালিক বর্তমান কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম, হিরাঝিল এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর ওমর ফারুক তার কার্যালয় সংলগ্ন মদিনা লাইমস নামের চুনাভাট্টির মালিক, তার পাশে রনি লাইমস নামের চুনাভাট্টির মালিক চান মিয়া, সুরমা লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের ফয়সাল লাইমসের মালিক বাবুল মিয়া, ঢাকা ও যমুনা লাইমসের মালিক খোরশেদ মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ পুলের পাশে লাইমসের মালিক আবু তালেব, আটি গ্রাম এলাকায় আরাফাত লাইমেসের মালিক হযরত আলী, আশরাফ আলী লাইমসের মালিক জালাল মিয়া, মেঘনা লাইমসের মালিক আব্দুল হাই, ওয়াপদাকলোনী এলাকার খাজা লাইমসের মালিক সোহেল মিয়া, হারুন লাইমসের মালিক সাদেক মিয়া আর রহমান লাইমসের মালিক শহীদ হোসেন বিটু।
মিজমিজি এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা বহুবছর ধরে এ এলাকায় বসবাস করি। যতদিন ধরে আছি এখানকার চুনাভাট্টির দূষিত ধোঁয়ার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ক্ষতি হয় এ ধোঁয়ার কারণে। চুনাভাট্টির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। তার উপর তিনি ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।’
সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকার এক চা বিক্রেতা বলেন, ‘আমি এখানে চা বিক্রি করি অনেক বছর ধরে। এখানকার আবু তালেব সাহেবের চুনার কারখানার কারণে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হই। আমাগো এলাকার কেউ শান্তিতে নাই।’
জাজিরা লাইমসের মালিক ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।