ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গরুর মাংস বয়কটের ডাক

সারা দিন রোজা থাকার পর গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে রোজাদারদের ইফতারে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে কেনা দায় হয়ে পড়েছিল মৌসুমি ফল তরমুজ।

হুহু করে দাম বাড়িয়ে পিস থেকে কেজিতে তরমুজ বিক্রি শুরু করেন বিক্রেতারা। এতে একটি তরমুজের দাম পড়ে ৬০০-৮০০ টাকা। আকাশছোঁয়া দামে দিশেহারা ছিলেন সাধারণ ক্রেতারা।


পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরমুজ বয়কটের ডাক দেয় সাধারণ মানুষ। এতে দাম কমে অর্ধেকে এলেও এখন ক্রেতা পাচ্ছেন না বিক্রেতারা।

এবার তারই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে গরুর মাংস বয়কটের ডাক দিয়েছেন নেটিজেনরা। এ ছাড়া হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের ফেসবুকের টাইমলাইনে কয়েকটি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যা রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে।
আহমেদ তাওসিফ নামে একজন লিখেছেন: ‘এবারের রমজানটা একটু ভিন্ন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়াতে ভোক্তারা এক হওয়াতে ব্যবসায়ীরা কতটা কোণঠাসা হয়েছে ভোক্তা সিন্ডিকেট। বয়কট এর শক্তি দেখুন
১০০ টাকার পানীয় ৬০ টাকা
৬০-৮০ টাকার বেগুন ২০-৪০ টাকা
৮০/১০০ টাকার লেবুর হালি ৩০ টাকা
৮০/১০০ টাকা কেজির তরমুজ ৫০ টাকা কেজি।
১১০ টাকা কেজি পেঁয়াজ ৬০ টাকা।

দোকানে দোকানে অনেক বিদেশি পণ্য অবিক্রীত। দাম কমিয়েও বিভিন্নন আইটেম বিক্রিতে ভাটা। তরমুজ বিক্রেতার মাথায় হাত। বেগুন, ধনিয়া পাতা, পুদিনা পাতা ফেলে দিতে হচ্ছে সব্জী বিক্রেতাদের।

অপেক্ষা করুন, আরও কমবে ইন শা আল্লাহ। সবাই এক হলে দাম থাকবে নাগালের ভেতর ইন শা আল্লাহ। মনে রাখবেন, ভোক্তা না থাকলে ব্যবসায়ীরা কার কাছে পন্য বিক্রী করবে? তাই ব্যবসায়ী না ভোক্তাদের দ্বারাই বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। একটু সচেতন হন। যেই জিনিস এর দাম বাড়বে, তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিন। যেই জিনিস আপনার বিশ্বাস এর সাথে যায় না। বাদ দিয়ে দিন। এটাই আসল নিয়ন্ত্রণ।’

গরুর মাংস বয়কটের ডাক

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

সারা দিন রোজা থাকার পর গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে রোজাদারদের ইফতারে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে কেনা দায় হয়ে পড়েছিল মৌসুমি ফল তরমুজ।

হুহু করে দাম বাড়িয়ে পিস থেকে কেজিতে তরমুজ বিক্রি শুরু করেন বিক্রেতারা। এতে একটি তরমুজের দাম পড়ে ৬০০-৮০০ টাকা। আকাশছোঁয়া দামে দিশেহারা ছিলেন সাধারণ ক্রেতারা।


পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরমুজ বয়কটের ডাক দেয় সাধারণ মানুষ। এতে দাম কমে অর্ধেকে এলেও এখন ক্রেতা পাচ্ছেন না বিক্রেতারা।

এবার তারই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে গরুর মাংস বয়কটের ডাক দিয়েছেন নেটিজেনরা। এ ছাড়া হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তাদের ফেসবুকের টাইমলাইনে কয়েকটি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যা রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে।
আহমেদ তাওসিফ নামে একজন লিখেছেন: ‘এবারের রমজানটা একটু ভিন্ন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়াতে ভোক্তারা এক হওয়াতে ব্যবসায়ীরা কতটা কোণঠাসা হয়েছে ভোক্তা সিন্ডিকেট। বয়কট এর শক্তি দেখুন
১০০ টাকার পানীয় ৬০ টাকা
৬০-৮০ টাকার বেগুন ২০-৪০ টাকা
৮০/১০০ টাকার লেবুর হালি ৩০ টাকা
৮০/১০০ টাকা কেজির তরমুজ ৫০ টাকা কেজি।
১১০ টাকা কেজি পেঁয়াজ ৬০ টাকা।

দোকানে দোকানে অনেক বিদেশি পণ্য অবিক্রীত। দাম কমিয়েও বিভিন্নন আইটেম বিক্রিতে ভাটা। তরমুজ বিক্রেতার মাথায় হাত। বেগুন, ধনিয়া পাতা, পুদিনা পাতা ফেলে দিতে হচ্ছে সব্জী বিক্রেতাদের।

অপেক্ষা করুন, আরও কমবে ইন শা আল্লাহ। সবাই এক হলে দাম থাকবে নাগালের ভেতর ইন শা আল্লাহ। মনে রাখবেন, ভোক্তা না থাকলে ব্যবসায়ীরা কার কাছে পন্য বিক্রী করবে? তাই ব্যবসায়ী না ভোক্তাদের দ্বারাই বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। একটু সচেতন হন। যেই জিনিস এর দাম বাড়বে, তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিন। যেই জিনিস আপনার বিশ্বাস এর সাথে যায় না। বাদ দিয়ে দিন। এটাই আসল নিয়ন্ত্রণ।’