ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্নিগ্ধ সাজে এবারের ঈদ

সাজগোজের মাধ্যমে ফুটে ওঠে ব্যক্তিত্ব। যে যেমন পছন্দ করে সেভাবেই হবে তার ঈদের সাজ।

গরমে ঈদ তাই সাজ হতে হবে সজীব। মেইকআপ যেন মুখের মুখোশ না হয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই ফুটিয়ে তুলে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

তবে গতবারের মতো এবারও সাজের মূল ধাঁচ হল সতেজতা ও স্নিগ্ধতা।

রেড বিউটি স্যালনে কর্ণধার ও রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, “ন্যাচারাল লুকের সাজের আকর্ষণই আলাদা। আগে একটা সময় মেইকআপ বোঝা যেত। এখন মেইকআপ দেখা যায় না তবে চেহারায় একটা বাড়তি তারুণ্য যোগ হয়। এতে মানুষ ভালো অনুভব করেন। এর মানে হচ্ছে মেইকআপ সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টেছে।”

একটা সময় ছিল যখন মানুষ অনেক বেশি মেইকআপ, কড়া রংয়ের শ্যাডো, ব্লাশন ইত্যাদি ব্যবহার করতে পছন্দ করতো। তবে বর্তমানে ‘ন্যুড লুকিং’ বা ‘নো মেইকআপ লুক’ বেশ চলছে।

“মুখ কেবল সাদা করে ফেলাই নয় বরং ত্বকের খুঁত ঢেকে আসল বর্ণ ও উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তোলাই এখনকার সাজের মূল লক্ষ্য”- বলেন আফরোজা পারভীন।

ঈদের সাজ হিসেবে তিনি বলেন, “তিনদিন ধরে ঈদের আমেজ থাকে। এই সময়ে সাজ হতে হবে বয়স, স্থান, পোশাক ও সময় ভিত্তিক। যে সময়ের জন্যই সাজা হোক না কেনো তা হতে হবে ‘ন্যাচারাল’। মানে দেখে যেন মনে না হয়- অনেক বেশি মেইকআপ করেছে, অথচ দেখতে ভালো লাগবে।”

আফরোজার মতে, ঈদের দিনের সাজের ক্ষেত্রে ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার না করে কন্সিলারের মাধ্যমে ত্বকের দাগ ছোপ ঢেকে এর ওপরে ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই হালকা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম যে যেমনটা পছন্দ করেন তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

এরপর সুন্দর করে আই ভ্রু এঁকে, হালকা রংয়ের ব্লাশন ও শ্যাডো ব্যবহারের মাধ্যমে মুখের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায়।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে সাজের মাঝেও পরিবর্তন আনলে ভালো লাগবে। ঈদের সময় দিনে দুতিনবার পোশাক পরিবর্তন করা হয়েই থাকে।

সকালে যেমন পোশাক পরা হয় দুপুরে গরমে আরামের জন্য অনেকেই তা পরিবর্তন করে থাকেন। আবার বিকালে বা রাতে বেড়াতে যাওয়ার সময় পোশাকে ঈদের আমেজ ফুটিয়ে তুলতে কিছুটা ভারী পোশাক পরে থাকেন। সেক্ষেত্রে সাজটাও হওয়া উচিত ভিন্ন।

“বেলা বাড়ার সাথে সাথে যদি সাজও হালকা থেকে গাঢ়র দিকে পরিবর্তিত হয় সেটা দেখতে ভালো লাগে”- বলেন তিনি।

অর্থাৎ, সকালের সাজ হবে স্নিগ্ধ। দুপুরে হবে পরিপাটি বা টিপটপ। আর বিকালের পর থেকে রাতের দিকে সাজ হবে কিছুটা গাঢ় বা জাঁকজমক পূর্ণ।

তবে কোনো সাজই যেন অতিরিক্ত বা মাস্কের মতো মনে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

সাজের ভিন্নতায় একই মানুষকে দেখতে ভিন্ন ভিন্ন লাগে। তাই সুন্দর করে সাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হবে নিজের ব্যক্তিত্ব।

ছবি সৌজন্যে: লা রিভ।

স্নিগ্ধ সাজে এবারের ঈদ

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

সাজগোজের মাধ্যমে ফুটে ওঠে ব্যক্তিত্ব। যে যেমন পছন্দ করে সেভাবেই হবে তার ঈদের সাজ।

গরমে ঈদ তাই সাজ হতে হবে সজীব। মেইকআপ যেন মুখের মুখোশ না হয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই ফুটিয়ে তুলে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

তবে গতবারের মতো এবারও সাজের মূল ধাঁচ হল সতেজতা ও স্নিগ্ধতা।

রেড বিউটি স্যালনে কর্ণধার ও রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, “ন্যাচারাল লুকের সাজের আকর্ষণই আলাদা। আগে একটা সময় মেইকআপ বোঝা যেত। এখন মেইকআপ দেখা যায় না তবে চেহারায় একটা বাড়তি তারুণ্য যোগ হয়। এতে মানুষ ভালো অনুভব করেন। এর মানে হচ্ছে মেইকআপ সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টেছে।”

একটা সময় ছিল যখন মানুষ অনেক বেশি মেইকআপ, কড়া রংয়ের শ্যাডো, ব্লাশন ইত্যাদি ব্যবহার করতে পছন্দ করতো। তবে বর্তমানে ‘ন্যুড লুকিং’ বা ‘নো মেইকআপ লুক’ বেশ চলছে।

“মুখ কেবল সাদা করে ফেলাই নয় বরং ত্বকের খুঁত ঢেকে আসল বর্ণ ও উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তোলাই এখনকার সাজের মূল লক্ষ্য”- বলেন আফরোজা পারভীন।

ঈদের সাজ হিসেবে তিনি বলেন, “তিনদিন ধরে ঈদের আমেজ থাকে। এই সময়ে সাজ হতে হবে বয়স, স্থান, পোশাক ও সময় ভিত্তিক। যে সময়ের জন্যই সাজা হোক না কেনো তা হতে হবে ‘ন্যাচারাল’। মানে দেখে যেন মনে না হয়- অনেক বেশি মেইকআপ করেছে, অথচ দেখতে ভালো লাগবে।”

আফরোজার মতে, ঈদের দিনের সাজের ক্ষেত্রে ভারী ফাউন্ডেশন ব্যবহার না করে কন্সিলারের মাধ্যমে ত্বকের দাগ ছোপ ঢেকে এর ওপরে ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই হালকা ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম যে যেমনটা পছন্দ করেন তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

এরপর সুন্দর করে আই ভ্রু এঁকে, হালকা রংয়ের ব্লাশন ও শ্যাডো ব্যবহারের মাধ্যমে মুখের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায়।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে সাজের মাঝেও পরিবর্তন আনলে ভালো লাগবে। ঈদের সময় দিনে দুতিনবার পোশাক পরিবর্তন করা হয়েই থাকে।

সকালে যেমন পোশাক পরা হয় দুপুরে গরমে আরামের জন্য অনেকেই তা পরিবর্তন করে থাকেন। আবার বিকালে বা রাতে বেড়াতে যাওয়ার সময় পোশাকে ঈদের আমেজ ফুটিয়ে তুলতে কিছুটা ভারী পোশাক পরে থাকেন। সেক্ষেত্রে সাজটাও হওয়া উচিত ভিন্ন।

“বেলা বাড়ার সাথে সাথে যদি সাজও হালকা থেকে গাঢ়র দিকে পরিবর্তিত হয় সেটা দেখতে ভালো লাগে”- বলেন তিনি।

অর্থাৎ, সকালের সাজ হবে স্নিগ্ধ। দুপুরে হবে পরিপাটি বা টিপটপ। আর বিকালের পর থেকে রাতের দিকে সাজ হবে কিছুটা গাঢ় বা জাঁকজমক পূর্ণ।

তবে কোনো সাজই যেন অতিরিক্ত বা মাস্কের মতো মনে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

সাজের ভিন্নতায় একই মানুষকে দেখতে ভিন্ন ভিন্ন লাগে। তাই সুন্দর করে সাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হবে নিজের ব্যক্তিত্ব।

ছবি সৌজন্যে: লা রিভ।